News
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে শিক্ষার্থী ও শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহনে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বাদ মাগরিব বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
সিকৃবি কেন্দ্রীয় মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ রুহুল আমিন এর সঞ্চালনায় ও সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: আলিমুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সামিউল আহসান তালুকদার ও প্রক্টর প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিকৃবি কেন্দ্রীয় মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল আজিজ। প্রধান আলোচক হিসেবে সিকৃবি কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মোঃ হারুন-অর-রশিদ বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনাদর্শ নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম বলেন, আজকের এই দিনেই বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন। তিনি যেই সমাজে প্রেরিত হয়েছিলেন, সেই সমাজ ছিল চরম অন্যায়, জুলুম ও নিপীড়নে নিমজ্জিত। সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজে তাঁর আগমন হয়েছিল আলোকবর্তিকার মতো। রাসূলুল্লাহ (সা.) কেবল আরব উপদ্বীপ নয়, পুরো বিশ্বকে একটি আদর্শ ও নিরাপদ সমাজ উপহার দিয়েছিলেন। তাঁর জীবনাদর্শ মানবজাতির জন্য অনন্তকালীন দিকনির্দেশনা।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে যদি আমরা নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করতে চাই, তবে আমাদের নবীজির জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সেটিকে নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে। ইসলাম শুধু আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি মানুষের সর্বাঙ্গীন কল্যাণের ধর্ম।তিনি বলেন, মানবজাতির মুক্তি ও কল্যাণের জন্য রাসূলুল্লাহ (সা.) এর জীবনের প্রতিটি দিক আমাদের জন্য অনুকরণীয়।