News
সিলেট
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদ-ই- মিলাদুন্নবী (সা.)-২০২৬ উদযাপন
করা হয়েছে।পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী
(সা.) উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে শিক্ষার্থী ও শিশু-কিশোরদের
অংশগ্রহণে কেরাত, হামদ্ ও নাতে
রাসুল (সা.)উপস্থিত বক্তৃতা, রচনা ও কুইজসহ বিভিন্ন ইসলামিক প্রতিযোগিতা, পুরস্কার
বিতরণ, আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল
ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬)
সিকৃবি কেন্দ্রীয় মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ রুহুল
আমিন এর সঞ্চালনায় ও
সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ জসিম
উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর
ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগীয়
চেয়ারম্যান, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক,দপ্তর প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ
করেন।
অনুষ্ঠানে
প্রধান আলোচক হিসেবে সৌদি ধর্ম মন্ত্রনালয়ের
দ্বায়ী, ও সিলেট কুদরত
উল্লাহ জামে মসজিদের খতিব
শায়েখ সাঈদ বিন নূরুজ্জামান আল
মাদানী, বিশ্বনবী
হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনাদর্শ
নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল
ইসলাম বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)
ছিলেন মানবতার মহান শিক্ষক ও
আদর্শ পথপ্রদর্শক। তাঁর পবিত্র জীবন
ছিল সামাজিকতা, সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক
উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি সবার সঙ্গে
হাসিমুখে কথা বলতেন, শিষ্টাচার
ও উত্তম আচরণ বজায় রাখতেন
এবং মানুষের সুখ-দুঃখে আন্তরিকভাবে
পাশে দাঁড়াতেন। মহানবী (সা.) বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সহমর্মিতার
গুরুত্ব বোঝাতে বলেছেন, ‘সৌহার্দ্য ও সহানুভূতির ক্ষেত্রে
মুমিনদের দৃষ্টান্ত এক দেহের ন্যায়;
যার একটি অঙ্গ অসুস্থ
হলে গোটা দেহ অসুস্থ
ও অনিদ্রায় আক্রান্ত হয়। এই মহান
বাণীর মাধ্যমে তিনি আমাদের শিক্ষা
দিয়েছেন সমাজের একজন মানুষের দুঃখ-কষ্টকে অন্যদেরও নিজের দুঃখ-কষ্ট হিসেবে
অনুভব করতে হবে।
ভিসি
আরও বলেন, আজকের সমাজে যখন অশান্তি, অন্যায়,
হিংসা-বিদ্বেষ ও বৈষম্য ক্রমেই
বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন মহানবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুমহান জীবনাদর্শ আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে আমরা যদি
পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হই, অন্যের অধিকারকে
সম্মান করি এবং বিপদে-আপদে একে অপরের
পাশে দাঁড়াই, তাহলেই একটি শান্তিপূর্ণ, সুন্দর
ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা
সম্ভব হবে।